বর্ষা মানেই বিচ্ছিরি কাদা।সারাদিন বের হওয়া যায় না। তবুও এমন জায়গা আছে যেখানে ঘর থেকে না বের হয়েও সুন্দর ঘোরা যায়। আমরা আজ বলছি দক্ষিণ ২৪ পরগনার ‘কোটরাখালি’ গ্রামের কথা। বর্ষায় দূরে কোথাও যেতে চাইছেন না। কলকাতা শহরের কাছেই ছড়িেয় ছিটিয়ে রয়েছে অসংখ্য পর্যটন কেন্দ্র। সপ্তাহান্তের একদিনের ছুটিতে অনায়াসে বেড়িয়ে আসা যায় সেখান থেকে। কলকাতার কাছেই এমনই একটি অফবিট উইকেন্ড ডেস্টিনেশন হল কোটরাখালি। বর্ষা মানেই বৃষ্টি-জল-কাদা। সেকারণে অনেকেই বর্ষায় দূরে কোথাও যেতে চান না। সেকারণে বর্ষাতে বাড়িতেই থাকতে চান অনেকে। কাছে পিঠে কোথাো এই সময় বেড়াতে যেতে চান তাঁরা। কলকাতার কাছাকাছি রয়েছে একাধিক জায়গা।
এমনই একটি জায়গা দক্ষিণ ২৪ পরগনার কোটরাখালি। শহুরে চরম ব্যস্ততার মধ্যে দিন কাটে আমাদের। তাই আমরা দু’দন্ড বিশ্রাম চাই। শহরের যান্ত্রিক জীবন থেকে একটু দূরে কিছুটা সময় কাটাতে হলে ঘরের কাছেই অপেক্ষা করছে কোটরা খালি। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ছোট্ট একটা গ্রাম কোটরা খালি। হানা নদীর পাড়ে এই জায়গাটা একেবারে অনন্য সুন্দর। বাসন্তী হাইওয়ের উপর দিয়ে আসতে হয় এখানে। প্রকৃতি এখানে সব সৌন্দর্য উজার করে দিয়েছে।
গ্রামের পরিবেশ কয়েকটা দিন কাটিয়ে যেতে মন্দ লাগবে না। এখানে থাকার জায়গা একটা কোটরাখালি রিভারসাইড। খুব বেশি লোকের থাকার জায়গা নেই। গ্রামের লোকেরা এই জায়গাটিকে কাছারি বাড়ি বলেই জানেন। গোটা জায়গাটি অসাধারণ সুন্দর। এখানে বড় বড় দুটি পুকুর রয়েছে। সেখানে মাছ ধরার মাচা করা আছে। বাগান বাড়ির মধ্যে ফুলের বাগান। সবজির চাষ দেখলে মন ভরে যাবে। এখানে আগে থেকে বলা থাকলে নৌকা বিহারের ব্যবস্থাও করা থাকে। অনেক গুলি মাছের ভেরি রয়েছে।
কাজেই মাছের কমতি নেই। বর্ষা কালে গরম গরম মাছ ভাজা খেতে কার না ভালো লাগে। এখানে অনেক সুন্দর সুন্দর পাখি দেখা যায়। শীতকালে বিদেশি পাখিরাও হাজির হয় এখানে। অসাধারণ সুন্দর একটা জায়গা। বর্ষার ঝিরঝিরে বষ্টিতে গ্রামের বাড়িতে থাকার একটা আলাদা মজাই পাওয়া যাবে এখানে। থাকা – এখানে থাকার জায়গা একটা কোটরাখালি রিভারসাইড।